মাহাবুব তালুকদার:
রোববার বিকেলে সদর উপজেলার প্রেমতলা মোড়ে এসে পৌঁছালে তাকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এ সময় জেলা যুবদলসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। পরে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং শরীয়তপুর-৩ আসনের (এমপি) জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শতাধিক মোটরসাইকেলের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।
শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা যুবদলের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা দলীয় স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন পুরো এলাকা।
পরে জেলা যুবদলের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন আবদুল জব্বার খান। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটিতে আমার এই দায়িত্বপ্রাপ্তি কোনো ব্যক্তিগত অর্জন নয়। এটি তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের দীর্ঘদিনের ত্যাগ, পরিশ্রম ও সাংগঠনিক নিষ্ঠার স্বীকৃতি।
তিনি আরও বলেন, আগামীতে শরীয়তপুর জেলা যুবদলের কমিটিতে কোনো হাইব্রিড নেতার স্থান হবে না। দলের দুঃসময়ে আন্দোলন-সংগ্রামে যারা রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং সংগঠনের জন্য কাজ করেছেন, তাদেরই যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।
এদিকে, কেন্দ্রীয় কমিটিতে শরীয়তপুরের একজন নেতার গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পাওয়াকে জেলার রাজনীতির জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাদের প্রত্যাশা, আবদুল জব্বার খানের নেতৃত্বে যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় হবে।